ঢাকা৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঝিনাইগাতী পালিয়ে গেলেন করোনা আক্রান্ত রোগী!

প্রতিবেদক
Mymensingh
জুন ৩, ২০২০ ৯:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জাহিদুল হক মনির:

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক নারী (২৬) পালিয়ে গেছে। গতকাল বুধবার বিকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মো. জসিম উদ্দিন তার পালিয়ে যাওয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া রোগী ধানশাইল ইউনিয়নের বাগেরভিটা এলাকার আমিরুলের স্ত্রী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আহেদ ইকবাল জানান, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরীক্ষাগার থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ উপজেলায় সাংবাদিক, একনারীসহ তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আক্রান্তদের মধ্যে একজন সাংবাদিক। তিনি স্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল শেরপুরের আলো’র সম্পাদক ও প্রকাশক। অপর একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নার্সের স্বামী। তিনি ভেটেনারী সার্জন এবং নারায়ণগঞ্জে কর্মরত আছেন। এ ছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে ধানশাইল ইউনিয়নের বাগেরভিটা গ্রামের এক নারী। তাদের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর তাদের নিজ বাড়িতেই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সাংবাদিক ও ভেটেনারী সার্জন নির্দেশনা মেনে বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকলেও আক্রান্ত নারী যথাযথভাবে হোম কোয়ারেন্টাইন না মেনে পালিয়ে গেছেন। ওই নারীকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যাচ্ছে না।

গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা আক্রান্ত নারীর খোঁজখবর নিতে গেলে তার পালানোর বিষয়টি জানাজানি হয়। এদিকে আক্রান্ত সাংবাদিকের পরিবারের চার সদস্যসহ ১৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার মধ্যেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠানো হবে। তাদের নমুনা সংগ্রহের পর তাদের পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। ধানশাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাগেরভিটা এলাকায় করোনা শনাক্ত রোগীকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

তার বাড়ির লোকজনও কোন সন্ধান দিতে পারছে না। তাই ইউপি সদস্য ও গ্রামপুলিশসহ এলাকার লোকজনকে খোঁজার জন্য বলে দিয়েছি। ঘটনার বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়া খুবই দুঃখজনক। মানুষ নিজে নিজে সচেতন না হলে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন। তবে তাকে খোঁজতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।