এনামুল হক ছোটন:
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ঈদুল আয্হার। আর এই ঈদুল আয্হার একটি অংশ হচ্ছে পশু কোরবানি করা। আর বর্তমান বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতিতেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কোরবানি পশু ক্রয় – বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর উদ্যোগে গতকাল শনিবার সার্কিট হাউজ মাঠে ও নদীর পাড় হয়ে জয়নুল উদ্যান সিটি পার্ক গেইট পর্যন্ত কোরবানীর পশুর হাটের স্হান পরিদর্শন করে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) জনপ্রিয় মেয়র মোঃইকরামুল হক টিটু। পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন মসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃআনোয়ার হোসেন,প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রাজিব সরকার,প্রধান স্বাস্হ্য কর্মকর্তা এইচকে দেবনাথ,জনসংযোগ কর্মকর্তা এস কে রাজিব,খাদ্য ও সেনিটেশন কর্মকর্তা দীপক মজুমদার,বর্জ্য ব্যবস্হাপনা কর্মকর্তা মহব্বত আলী,বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা মোঃখন্দকার জাহাঙ্গীরসহ প্রমুখ। মসিক মেয়র টিটু সাংবাদিকদেরকে জানান,সিটি পার্ক সংলগ্ন পশুর হাট’কে তিনটি জোনে বিভক্ত করা হবে। প্রথম জোনে বড় গরু,দ্বিতীয় জোনে মাঝারী গরু,তৃতীয় জোনে ছোট গরু’র থাকবে।
ফলে,গরু ক্রয়ে ক্রেতা ও সাধারনের এলোপাথারি ঘুরাফেরা করা বন্ধ হবে এবং ক্রেতা তার চাহিদানুযায়ী নির্দিষ্ট জোন হতে গরু ক্রয় করতে পারবে। তাতে করে,সামাজিক দুরত্ব অনেকাংশে বজায় রাখা যাবে। তাছাড়াও, স্বাস্হ্যবিধি মেনে চলতে মসিকের উদ্যোগে ব্যাপক প্রচার- প্রচারনার চালানোসহ কেন্দ্র হতে বিভিন্ন ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে। সেইসঙ্গে হাত ধৌত করনেও ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে। উল্লেখ,এবার মসিকের উদ্যোগে নগরীর ৬টি স্হানে অস্হায়ী কোরবানী পশু হাট,ও শম্ভুগঞ্জ বার্ষিক বাজার সহ মোট ৭টি পশুর হাটে গরু ক্রয় – বিক্রয় করা হবে।
