এনামুল হক ছোটন:
পপুলার মেডিকেল সার্ভিস সেন্টার এর চিকিৎসা বিজ্ঞানে এমন কিছু কিছু বিস্ময়কর বাস্তব ঘটনা যা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা অসম্ভব। সাধারন মানুষ কখনো দেখে নাই ও শুনে নাই কিছু চিকিৎসা ঘটনার ঘটে থাকে। গতকাল সোমবার পপুলার মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারে তেমনি একটি বিরল অস্ত্র প্রাচার করে ডাঃ মোঃ আশিকুর রহমান একটি শিশুর প্রাণ বাঁচিয়েছেন।
স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ মোঃ আশিকুর রহমান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের নাক,কান গলা রোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি এই মহামারি করোনার সময়েও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনগণের চিকিৎসা সেবা প্রদান কর যাচ্ছেন।এরই ধারাবাহিকতায় সোমবারে এক অসহায় মা ও বাবা তার সন্তানের সুচিকিৎসার জন্য নিয়ে ময়মনসিংহ চরপাড়া বিভিন্ন হাসপাতালে ও চেম্বার ডাক্তার দেখানোর সুযোগ হয়নি।
সন্তানের কান্নায় বাবা ও মা দিশেহারা বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে পারে নাই এমন কি প্রাইভেট হাসপাতাল সুচিকিৎসা সেবা নিতে পারে নাই। অবশেষে রোগীর স্বজনরা সুচিকিৎসার জন্য ডাঃ মোঃ আশিকুর রহমান চেম্বারে নিয়ে আসেন এবং ২ মাসের শিশু বাচ্চা কান্নাকাটি দেখে ডাক্তারের এসিস্ট্যান্ট বিষয়টি ডাক্তার সাহেব কে অবহিত করলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার সাহেব বাচ্চাটিকে সুচিকিৎসা জন্য চেম্বারে রোগী দেখা শুরু করে দেন ও বাবা – মায়ের কথা শুনে বিভিন্ন মেশিন দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ডাক্তার দেখতে পান যে বাচ্চা শিশুটির কানের ভেতরে একটি জীবন্ত পোকা রয়েছে ।
ডাঃ মোঃ আশিকুর রহমান তার কর্মদক্ষতায় বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতি মাধ্যমে সফলভাবে পোকাটিকে বের করে আনে এবং বাচ্চাটি আল্লার রহমতে ও ডাক্তার উসিলায় ভালো আছে। এমন অবস্থায় দেখে চেম্বারে ম্যানেজার মোঃ গোলাম মোর্তোজা বিষয়টি সকলকে জানালে চেম্বারের সামনে এমন অবস্থায় সৃষ্টি হয় আশপাশের লোকজন এসে চেম্বারের সামনে ভিড় জমায় এবং বিষয়টি চোখে দেখে অবাক হয় এবং ডাক্তার সাহেবের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করেন।
করোনা ভাইরাস মহামারি সংক্রান্ত সময়ে সুচিকিৎসার সেবার মাধ্যমে ডাঃ মোঃ আশিকুর রহমান বিভিন্ন রোগের জন্য চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও তিনি মানুষের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ এবং অসহায় ও গরিব মানুষের ডাক্তার হিসাবে পরিচিত ।
