ঢাকা১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পঞ্চগড়ে টানা বৃষ্টিতে বোরো ধান নিয়ে বেকায়দায় কৃষকরা

প্রতিবেদক
Mymensingh
জুন ২৮, ২০২০ ১০:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

একেএম বজলুর রহমান,

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে পঞ্চগড়ে ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন কৃষকরা। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। কৃষকরাই পানিতে ভিজে যাওয়া ধান কাটতে ও মাড়াই করতে নয় শ্রমিকরাও পড়েছেন বেকায়দায়। আবার ভিজে ধান কাটতে কদর বেড়েছে শ্রমিকের। ফলে বাধ্য হয়ে অধিক মূল্যে ধান কেটে নিতে হচ্ছে বলে একাধিক কৃষকরা জানিয়েছেন। খোজ নিয়ে জানা গেছে, পঞ্চগড় জেলায় দুই ধরনের বোরো ধান চাষ হয়। অবশ্য আগাম জাতের ধান ইতোপূর্বেই কৃষকরা ঘরে তুলেছেন। আর আগাম বোরো চাষ বেশি হয়।

দেবীগঞ্জ, বোদা আর আটোয়ারী উপজেলায়। শুকনো অবস্থায় চাষিরা ওই ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন এবং ফলনও ভাল হয়েছে। যে সময় ধান কাটা হয় ওই সময়ে বা তার আগে চলে আলু তারপর বাদাম উত্তোলনের কাজ। আলু উত্তোলন করেই রোপণ করা হয় বোরো ধান। অল্প সময়ের মধ্যেই সেই ধান কাটা যায়। গতকাল শুক্রবার পঞ্চগড় জেলার উপজেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার কয়েক টি এলাকায় ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা বলা হয়। লোহাগাড়া গ্রামের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা , ঢাকাইয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল খালেক , ইব্রাহিম খলিল , প্রধানাবাদ গ্রামের ফজর আলী বলেন, বৈরি আবহাওয়া ও গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মধ্যেই ধান কাটা ও মেশিনে ভিজে ধান মাড়াই করতে হচ্ছে।

খড় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রোদ না থাকায় আর মাড়াই শেষে ধান শুকানো যাচ্ছে না। একবার ধান মেলে দিয়ে আসছি তো একটু পরে শুরু হচ্ছে বৃষ্টি। এজন্য আবার সেই মেলে দেয়া ধান পলিথিন দিয়ে ঢাকতে হচ্ছে। এভাবেই সারাটা দিন পার হয়ে যাচ্ছে। পুরোদমে রোদ না পাওয়া পর্যন্ত ধান শুকানো সম্ভব না। এভাবে আর কয়েকদিন চলতে থাকলে ধানে ট্যাক বা গাছ বের হয়ে যাবে। তখন ধানের ভাত বেশিক্ষণ থাকবেও না এবং স্বাদও পাওয়া যাবে না। দন্ডপাল ইউনিয়নের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ূন কাদের সরকার জানান,এবার ধানের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা খুশি। তবে বৃষ্টির কারনে কৃষকরা ধান শুকাতে পারছেনা।

দেবীগন্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা শামীম ইকবাল বলেন, এবারে উপজেলায় আবাদী জমিতে ব্যাপক ভাবে বোরো চাষ হয়েছে। ইতোপূর্বেই আগাম জাতের শুকনো ধান কৃষক ঘরে তুলেছেন। ফলনও হয়েছে। আলুর জমির ধান কাটা শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টিতে ধান নিয়ে কৃষকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ আবু হানিফ জানান এবার ল মাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়েছে। কৃষকরা আবাদে এবার খুশি, এবার ফলনও বেশি। , ধানের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা বেশ আনন্দিত।