এইচ. এম জোবায়ের হোসাইন,
ব্যক্তি ইমেজ ও ধর্মীয় অনুভূতি, মানব সেবা এবং এলাকার উন্নয়নই যার ছিল কর্ম জীবনের নেশা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে রেকর্ড পরিমান ভোট পেয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মহাজোট মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা রুহুল আমীন মাদানী। প্রতিদ্বন্ধী ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীকে তিনি ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩২৬ ভোটে পরাজিত করে এই প্রথম রেকর্ড করেছেন ত্রিশালে।
তাঁর এই বিজয় দলীয় জনপ্রিয়তা ব্যক্তি ইমেজ উন্নয়ন সততার অন্যন্য উদাহারণ হিসেবেই মূল্যায়ন করে ত্রিশালের সকল স্তরের মানুষ। এতো বিশাল ভোটের জয়ের পর থেকে ত্রিশালসহ ময়মনসিংহবাসী মাদানীকে ঘিরে দেখেন স্বপ্ন। প্রত্যাশা ছিল মন্ত্রী পরিষদে সততা, ধর্মীয় অনুভ‚তি আর আদর্শের জন্য যোগ্য হিসেবে ধর্মমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে রুহুল আমীন মাদানীকে। পরবর্তিতে সাংসদ রুহুল আমিন মাদানীকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মনোনীত করেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দায়িত্ব পালনকালে তিনি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ-এর সাথে মন্ত্রনালয় বিষয়ক বিভিন্ন কাজকর্মে ধর্ম মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসাবে সহযোগিতা করেছেন। অত্যন্ত যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততার সাথে তিনি মন্ত্রনালয় পরিচালনা করেছেন। তার তিরোধানে একটি শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে শূন্য হয়েছে মন্ত্রনালয়ের পদটিও। এখন আবরও দাবী উঠেছে হাফেজ মাওলনা রুহুল আমিন মাদানীকে ধর্মমন্ত্রী করার।
মদিনা থেকে পড়াশোনা শেষ করে মাদানী দেশে এসে সব সময় জনগণের কল্যাণে পাশে থেকে কাজ করে গেছেন।
ফলে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে প্রথম বারে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হবার পর ত্রিশালের উন্নয়নে প্রতিটা জায়গায় ব্যাপক অবদান রেখেছেন। স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাট এবং মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করে জনপ্রিয় নেতা হিসাবে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করার ফলে এলাকাবাসীর উন্নয়নের রূপকার হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। শিল্পবাণিজ্য অঞ্চল হওয়ায় নতুন নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টিতেও সহায়তা করেছেন মাদানী। যার ফলশ্রæতিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে দলমত নির্বিশেষে সকলেই ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করেন প্রিয় এই মানুষটিকে।
খ্যাতনামা আলেম রহুল আমীন মাদানী সম্পর্কে তৃণমূল আওয়ামীলীগনেতারা বলেন, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে রহুল আমীন মাদানী তার জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। ত্রিশালের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্যই সাধারণ জনগণের নিবেদিত প্রান হিসাবে তাকে বিপুল ভোটে পুনরায় ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করেন। তাকে মন্ত্রী পরিষদে ধর্মমন্ত্রী করার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট জোর দাবী জানান তারা।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ আবুল কালাম বলেন, আমরা একজন প্রখ্যাত আলেম জনপ্রিয় শীর্ষ নেতাকে দ্বিতীয় বার রেকর্ড পরিমান ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করেছি।
১৯৯৬ সালে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করে উন্নয়নের রূপকার হিসাবে ভ‚ষিত হয়েছেন মাদানী। বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট ত্রিশাল তথা বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর জোর দাবি তিনি যেন রুহুল আমীন মাদানীকে ধর্মমন্ত্রী করে সর্ব স্তরের মানুষের আশা পূরন করেন।
ত্রিশাল উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সফির উদ্দিন শেখ বলেন, ত্রিশাল আসনটি নৌকার ঘাটি হিসাবে পরিচিত।
এইজন্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন জরিপে জনপ্রিয়তা দেখেই মাদানীর ওপরই আস্থা রেখে নৌকার মাঝি করায় তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এই প্রথম ত্রিশাল আসনে রুহুল আমিন মাদানী দ্বিতীয়বার এমপি নির্বাচিত হয়ে জনগনের ভালোবাসায় আসনটি বঙ্গবন্ধু কন্যাকে উপহার দিয়েছেন। এ আসনের সাধারন মানুষ মাদানীকে ধর্মমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রী পরিষদে দেখতে চায়।
