নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ :
ময়মনসিংহ ডিবি’র অভিযানে ময়মনসিংহের গৌরপুর থেকে বিকাশে ২লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া মামলায় বিকাশ প্রতারক চক্রের অন্যতম ২ সদস্য গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে মানকিগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার পিপুলিয়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার পূত্র মাইকেল মিয়া (৩১) এবং ফরিদপুর জেলার মধুখালি উপজেলার ডুমাইন পশ্চিম পাড়া গ্রামের ইউসুফ শেখের পূত্র ইউসুফ ওরফে ইমন (২৭)।
ডিবির ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, ২০১৯ সালের ২ নভেম্বর একটি বিকাশ প্রতারক চক্র অভিনব কায়দায় ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার বাসিন্দা মোছাঃ উর্মি আক্তার-কে ফোন করে বিকাশে
২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ) টাকা হাতিয়ে নেয়। উক্ত ঘটনায় মোছাঃ উর্মি আক্তার বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় অভিযোগ করলে, গৌরীপুর থানার মামলায় রুজু হয়। পুলিশ সুপার মোহা. আহমার উজ্জামান এর নিদের্শে মামলাটি ডিবি তদন্ত শুরু করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ডিবির একটি টিম এসআই (নিঃ) মোঃ শামীম আল
মামুন নেতৃত্বে এএসআই(নিঃ) মোঃ জুয়েল মিয়া সহ তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় সোমবার রাতে মানিকগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিকাশ প্রতারক চক্রের সদস্য মোঃ মাইকেল মিয়া (৩১) ও ডিএমপি ঢাকার সবুজবাগ থানা এলাকা থেকে মোঃ ইউসুফ ওরফে ইমনদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। ধৃত আসামীদ্বয় প্রতারণার দায় স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
জনসাধারণকে যেভাবে প্রতারিত করে বলে জানায় প্রতারকরা প্রথমে তারা সহজ পথ অবলম্বন করে অন্ধকারে ঢিল ছুড়ে যেমন বলে আপনার নম্বর বিকাশ কিনা? আমি কিছু টাকা পাঠাবো”এভাবেই সহজে তারা জেনে নেয় আপনার নম্বর বিকাশ কিনা। অতঃপর মোবাইলের প্লে স্ট্রোর হতে বিকাশ এ্যাপস ব্যবহার করে আপনার নাম্বারে মেসেজে (বার্তা) দিয়ে-৬ কোডের একটি কোড নম্বর পাঠায়। তখন তারা অন্য নাম্বার দিয়ে ফোন করে বিকাশ কোম্পানির লোক পরিচয় দিয়ে আপনাকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে নিষেধ করে এবং আপনার ফোনে যাওয়া মেসেজে ৬ সংখ্যার কোড জানতে চায়।
দ্বিতীয়ত একটি ভূয়া মেসেজ পাঠিয়ে বলবে আপনার নাম্বারে টাকা গেছে ফেরত দেন। তখন আপনি ব্যালেন্স না দেখেই টাকা পাঠানো শুরু করেন। এভাবেই প্রতারক প্রতারিত করে থাকে। বিকাশ কখনো পিন নাম্বার ও ভেরিফিকেশন বা কোড নাম্বার জানতে চায় না।
