দুর্গাপূজাকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার শারদীয় দুর্গোৎসবে সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ যাতে কেউ বিনষ্ট করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী দুর্গাবাড়ি শ্রী শ্রী দশভূজা বিগ্রহ মন্দির পূজামণ্ডপসহ বিভিন্ন পুজা মন্ডপ পরিদর্শন কালে
পূজা উদযাপন কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময়ে এই আহবান জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
এসময় তিনি বলেন, যারা মাজার ও মন্দিরে হামলা চালিয়ে অপবিত্র করতে চায় তারা অপরাধী। তাদের কোনো ধর্মীয় পরিচয় নেই।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র,ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম, পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম, শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন কার্যকরী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট বিকাশ রায়, সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা পূজা উদযাপন কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং পূজার সার্বিক প্রস্তুতি ও আয়োজন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি এসময় সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে মর্মে আশ্বস্ত করেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। কেউ কেউ মাজারে হামলা চালায়, মন্দির অপবিত্র করার চেষ্টা চালায়।’ শারদীয় দুর্গোৎসবে সবাইকে পূজামণ্ডপে সঠিকমত সিসি ক্যামেরা বসানোর আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আসন্ন দুর্গাপূজা নিয়ে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। এবং সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘রাতের বেলা অনেক সময় হামলা হয়। অন্ধকারের মধ্যে ঢিল মারে- এমন কোনো আশঙ্কা অনুভব করলে মুহূর্তের মধ্যে প্রশাসন হাজির হবে। হটলাইন চালু করা হয়েছে । লোকাল মানুষকে সমন্বয় করেন। তাহলে দুর্গা পূজা উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করা সম্ভব হবে।’
