ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসনের একজন দায়িত্ববান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আসাদুজ্জামান। তিনি তার কর্মতৎপরতা ও ন্যায়পরায়ণতার মাধ্যমে জেলার উন্নয়ন ও মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
জনপ্রশাসনের একজন কর্মকর্তা যখন কেবল দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের গণ্ডি পেরিয়ে মানবিকতা, নীতিবোধ এবং সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন, তখন তিনি সাধারণ মানুষের কাছে এক অনন্য শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে ওঠেন। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আসাদুজ্জামান তেমনি একজন ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব, যিনি তাঁর পেশাদারিত্বের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গুণাবলির মাধ্যমে সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন।
আসাদুজ্জামানের কার্যক্রমে তাঁর সততা এবং নীতিবান মনোভাবের প্রতিফলন সুস্পষ্ট। প্রশাসনের উচ্চ পদে আসীন হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের প্রতি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল এবং সংবেদনশীল। তাঁর দপ্তরে আসা কোনো মানুষকেই তিনি অবহেলা করেন না, বরং তাঁদের সমস্যাগুলো ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং সমাধানের জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেন। তাঁর এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বিভিন্ন সূত্র এবং ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ থেকে জানা যায়, জনাব আসাদুজ্জামান অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার। কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির বিষয়ে তাঁর কাছে অভিযোগ এলে তিনি তা খতিয়ে দেখতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেন না। নীতির প্রশ্নে তিনি আপসহীন। এই কঠোর মনোভাব প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে এবং অন্যদের জন্য একটি উদাহরণ তৈরি করে।
তাঁর সৌজন্যবোধ এবং ভদ্রতাও বিশেষভাবে লক্ষণীয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা সাধারণ মানুষ, সবার সঙ্গেই তিনি সমানভাবে শ্রদ্ধাপূর্ণ আচরণ করেন। একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে তাঁর এই আচরণ স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণে বাড়িয়ে তুলেছে।
আসাদুজ্জামান কেবল একজন দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন, তিনি একজন আদর্শবান মানুষও। তাঁর কর্মপদ্ধতি থেকে এটা স্পষ্ট যে, তিনি তাঁর দায়িত্বকে কেবল একটি পেশা হিসেবে দেখেন না, বরং জনগণের সেবার এক পবিত্র মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করেন। তাঁর মতো কর্মকর্তারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেন। তাঁর এই সৎ এবং মানবিক কর্মপন্থা আগামীতেও তাঁকে জনগণের ভালোবাসার পাত্র করে রাখবে।
