জাহিদুল হক মনির: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী করোনা শনাক্ত হওয়ার পর তার স্ত্রী, মেয়ে ও ভাতিজির শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারও করোনা শনাক্ত হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এই চারজনের করোনা শনাক্ত হয়। এই উপজেলায় এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়াল ২২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৭ জন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, গত ৬ জুন সদর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সচিবের করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এর পরেই করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য ওই ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তিনি বলেন, গত সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। পরে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য তার পরিবারের ১১ জন সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠাই।
গত শুক্রবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে ওই স্বাস্থ্য সহকারীর স্ত্রী, মেয়ে ও ভাতিজির করোনা শনাক্ত হয়। এদিন সদর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তার প্রতিবেদনেও করোনা পজিটিভ আসে। ডা. মো. জসিম উদ্দিন ধারণা করছেন, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সামাজিক সংস্পর্শের কারণেই এখন সাধারণ মানুষ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছেন। তাই এর বিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার ও মাস্ক ব্যবহারসহ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
