ময়মনসিংহ, রবিবার, ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ () ২৮°সে
শিরোনাম :
হালুয়াঘাটে সাংসদ জুয়েল আরেংকে সংবর্ধনা জুয়েল আরেং যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ায় হালুয়াঘাটে আনন্দ মিছিল জুয়েল আরেং যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ায় হালুয়াঘাটে আনন্দ মিছিল হালুয়াঘাটে গড়ে উঠছে অপার সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট হালুয়াঘাটে বহুল প্রতীক্ষিত ভারতীয় কয়লা আমদানি শুরু ময়মনসিংহে চুরি চিনতাই মাদকরোদে বিট পুলিশ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাট সাধারণ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন চুরি চিনতাই ও মাদকরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মহড়া জকিগঞ্জে আল ইসলাহ ও তালামীযের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ময়মনসিংহে জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কমিটি গঠন

লাল সবুজের পতাকাজুড়ে আছে আদিবাসীদের ভূমিকা

সুমা রোজারিও:

মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবময় ঘটনা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা প্রাপ্তি বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন। এই যুদ্ধের মধ্য দিয়েই আমরা লাভ করেছি একটি স্বাধীন দেশ, নিজস্ব লাল সবুজের পতাকা। বিশ্বের মানচিত্রে খোদিত হলো একটি নাম ‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ’। পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ নামে নতুন দেশ।

মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছে হাজারো দেশপ্রেমিক বাঙালি। ৯ মাস বাঙালি জাতিকে অসহনীয় অত্যাচার সহ্য করে টিকে থাকতে হয়েছে স্বাধীনতা বিরোধী পাকিস্তানী সৈন্য এবং তাদের দোসর রাজাকার ও আলবদরদের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে সব ধর্মের মানুষের অবদান ছিল সক্রিয়। অন্যান্য ধর্মের মতো খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ভুমিকাও কম ছিল না।

মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে। মুক্তিযুদ্ধ শুরু থেকে স্বাধীনতার রক্তসূর্য ছিনিয়ে আনার সংকল্প নিয়ে হাজারো খ্রিস্টান ভাই-বোনেরা তাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেছে। তাঁরা তাঁদের জীবনের বিনিময়ে ছিনিয়ে এনেছে কাংখিত স্বাধীনতাকে ।

১৯৭১ সালের মুক্তি সংগ্রামে বাঙালিদের অংশ গ্রহণের পাশা-পাশি এদেশের আদিবাসীরাও অংশগ্রহণ করে ব্যাপকভাবে। এদেশে আদিবাসী ফোরামের তথ্য মোতাবেক ৪৫টি আদিবাসী সম্প্রদায় রয়েছে। অত্যাচার-নির্যাতনের দিক থেকেও আদিবাসীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা কোন অংশে কম ছিল না।

রাষ্ট্র, রাজনীতি ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে আদিবাসীদের অবদান সবসময় অবহেলিত হয়েছেন। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে আদিবাসী নারী-পুরুষ প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিসংগ্রামে অংশ নেয়। কিন্তু পরিতাপের বিয়ষ হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে আদিবাসীদের অবদান সেরূপভাবে ইতিহাসে স্থান পায়নি। এতো বছরেও অনেকের সম্মান মেলেনি সেইসব লড়াকু সৈনিকদের।

বৃহত্তর ময়মনসিংহে খ্রিস্টান গারো, হাজং, কোচ জনগোষ্ঠীর আদিবাসীরা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশ স্বাধীনতায় সহায়তা করেছিলেন। তাদের মধ্যে পরিমল দ্রংসহ ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, শেরপুর, নেত্রকোনা এলাকার গারো, হাজং, কোচ জনগোষ্ঠীগুলো থেকে প্রায় ১৫০০ জন আদিবাসী মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এ পরিমল দ্রং পরবর্তীতে মহান মু্ক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। তাদের মধ্যে ৩২০ জন ছিল ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট এলাকা থেকেই। তাদের এ বিশাল অংশগ্রহণ এবং সহায়তা দেশ স্বাধীন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

লেখক গবেষক জনাব অরন্য ই. চিরানের লেখা ‘আমি প্রমোদ মানকিনের কথা বলছি’ গ্রন্থের তথ্য মোতাবেক জানা যায় হালুয়াঘাট এলাকায় সাবেক সমাজক্ল্যান প্রতিমন্ত্রী এড. প্রমোদ মানখিন এম.পি ব্যাপকভাবে যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণ করেন এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিববাড়ি শরণার্থী ক্যাম্পে রিলিফ কমিটির সদস্য হিসেবে প্রায় ৫০,০০০ জন শরণার্থীদের দেখাশুনা করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবেও কাজ করেন।

বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা শরনার্থীদের এ অঞ্চলের আদিবাসীরা নানাভাবে সহায়তা দান করে মুক্তিযুদ্ধে ভুমিকা পালন করেছেন।তালিকা ছাড়াও অনেক মুক্তিযোদ্ধা বাস্তবে যুদ্ধ করেও মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় স্থান পায়নি বলে বৃহত্তর ময়মনসিংহে অভিযোগ রয়েছে ।

একাত্তরে পাকিস্তান সেনা বাহিনী সাঁওতালদের হিন্দু গণনা করে যখন নির্বিচারে হত্যা করা শুরু করেছিল তখন জীবনের নিরাপত্তার খাতিরে বাংলাদেশে থেকে পালাতে হয় ৩০ হাজার সাঁওতাল জাতিগোষ্ঠীকে। ভারতের শরণার্থী শিবিরে মুক্তিযুদ্ধে অংগ্রহণের জন্য অনুপ্রেরণা জাগান আদিবাসী সাঁওতাল নেতা সাগরাম মাঝি।

এভাবে প্রায় তিনশর বেশি সাঁওতাল তরুণ প্রত্যক্ষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। রাজশাহীর বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশ্বনাথ টুডু ছিলেন একজন প্লাটুন কমান্ডার। এছাড়াও অনেক বীর আদিবাসী তরুণ মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের নৈপুণ্য দেখাতে সক্ষম হন।

এভাবে রক্তে হুলের চেতনা নিয়ে জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন সম সরেন, চাম্পাই সরেনসহ
অনেক আদিবাসী সাঁওতাল জনগোষ্ঠী। ফাদার লুকাশ মারান্ডি ছিলেন সাঁওতাল সম্প্রদায়ের একজন খ্রিস্টান ধর্মযাজক। একাত্তরে ভারতে পলায়নপর শিক্ষার্থীদের রুহিয়া মিশনে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা করার অপরাধে ২১ এপ্রিল পাক সেনারা ফাদার লুকাশ মারান্ডিকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে।

নাচোল বিদ্রোহসহ ভারতে উপনিবেশ বিরোধী সংগ্রামে সাঁওতাল নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। রাজশাহীর গোদাগাড়ি থানায় গোদাড়পাড়া গ্রামের কিছু পরিবার মুক্তিযুদ্ধের সময় গ্রামেই থেকে যায়। মুক্তিযুদ্ধ সময়ে এই পরিবারগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য ও আশ্রয় কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। এর ফলে, দেশ স্বাধীন হওয়ার কিছু দিন পূর্বে স্থানীয় রাজাকারদের প্ররোচনায় এই সব সাঁওতালদের পরিবারে হানা দেয় পাকিস্তানি বাহিনী। এসব পরিবারগুলোয় অপূরণীয় ক্ষতি করার পাশাপাশি লাঞ্চিত করা হয় সাঁওতাল নারীদের।

৭১এ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন সাগরাম মাঝি। জেলে শহিদ ৪ মহান নেতার অন্যতম কামরুজ্জামানের রাজনৈতিক সহকর্মীও ছিলেন সাগরাম মাঝি। তিনি ৭১ এ ভারতে আশ্রয় নেবার ইচ্ছা পোষণ করেন। কিন্তু তৎকালীন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার অনাস্থার কারণে মুক্তিযুদ্ধে আদিবাসীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যাপারে তেমন কোন আগ্রহ দেখাননি।

১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের প্রধান শর্ত ছিল মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে পাকিস্তান এবং অমুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে ভারত
প্রতিষ্ঠিত হবে। স্বভাবতই আদিবাসী প্রধান পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্ন্তভুক্তির সম্ভাবনা ছিল ভারতের সাথে।
কিন্তু পরবর্তীতে তা হয়নি।

শেখ মুজিবের ৭মার্চ ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার সংকল্পবদ্ধ হন রসময় চাকমা। কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারণে ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে গেলে তাকে বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও তিনি দমে যাননি। দেশে ফিরে এসে খাগড়াছড়ির এক পাঞ্জাবির বাড়িতে তিনি আগুন জ্বালিয়ে দেন।
রসময় চাকমার মতন আরেক আদিবাসী ছিল নাম তাতিন্দ্রলাল চাকমা। ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনিও মুক্তিযুদ্ধে যান। এভাবে শত শত চাকমা যুবক মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে কাজ করেন।

একাত্তরে পাকিস্তানিদের আরেক আতঙ্ক ছিলেন রাজা মপ্রু। রাজা মপ্রু হয়ে উঠেন এক বিপদজ্জনক ব্যক্তি। পাকিস্তানিরা বিভিন্নভাবে রাজাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পাকিস্তানিরা মিজো বিদ্রোহ কাজে লাগান ফলে রাজার অবস্থান বিপদসঙ্কুল হয়ে উঠে। তিনি তার পরিবারকে আগরতলায় পাঠিয়ে দেন। তিনি নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে নিশ্চুপ থাকেননি।

তিনি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেবার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের বেশ কিছু অপারেশনে সরাসরি অংশ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পরিবারের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। মুক্তিবাহিনী এবং পরে মিত্রবাহিনীর সাথে সর্বত্মক যুদ্ধে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেন।

এই দেশের রাখাইন গোষ্ঠীও মুক্তিযুদ্ধে সর্বত্মক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ করেন। জাতি, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে সবার অংশ গ্রহণ ছিল। রাখাইনদের এক সময় সমৃদ্ধ জনপদ, স্বতন্ত্র-স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজ্য ছিল। বর্মি সম্প্রদায়ের নিষ্ঠুর ছোবলে সব হারিয়েছে রাখাইন সম্প্রদায়।

অভিজ্ঞতায় স্বাধীনতা হারানোর বেদনা, চেতনায় পরাধীনতা থেকে মুক্তির আখাঙ্কায় অসংখ্য তরুণ মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে অন্যতম- বীর মুক্তিযোদ্ধা উ-মংয়াইন, উ-ক্যহ্রাচিং, উ-উসিতমং প্রমুখ। এছাড়াও অসংখ্য সাধারণ রাখাইন রয়েছে যারা মুক্তির আকাঙ্খায় মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তারা “মুক্তিযোদ্ধা” নাম বিকিয়ে তেমন কোন সুযোগ সুবিধা নেননি এবং সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাদের প্রতি তেমন কোন প্রচেষ্টা মেলেনি।

একাত্তরে পাকিস্তানে অস্ত্র সরবাহ করেছিল চীন। ফলে চীনের প্রতি পাকিস্তানের কৃতজ্ঞতাবোধ ছিল। অনেক রাখাইন পাকিস্তানীদের কাজে নিজেদের “চায়না বৌদ্ধ” বলে পরিচয় নিয়ে মুক্তি পেলেও পাকিস্তানীদের নৃশংসতায় স্তব্ধ হয়ে যায় রাখাইন জনপদ। ৭১-এর মে মাসে একদিন মহেশখালির ঠাকুরতলা বৌদ্ধ বিহারে অনুপ্রেবেশ করে পাকিস্তানিরা। হত্যা করা করা অসংখ্য মানুষকে। ৬২টি রৌপ্য মুর্তি লুট ও হত্যার এক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করে পাকিস্তান হানাদাররা।

৭১-এ মণিপুরী সম্প্রদায়ও মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সংগ্রাম ও যুদ্ধে নিজেদের প্রত্যক্ষভাবে জড়িত করে মণিপুরী সম্প্রদায়। মুণিপুরীদের মধ্যে অন্যতম সৈনিক ছিলেন; সাধন সিংহ, অনিতা সিনহা, বাণী সিনহাসহ প্রমুখ। এছাড়াও যাদের নাম বিশেষ শ্রদ্ধায় অবশ্যই স্মরণীয় তারা হলেন; মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক নীলমনি চট্টোপাধ্যায়, নন্দেশ্বর সিংহ, বিজয় সিংহ প্রমুখ। এদের মধ্যে নীলমনি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল ১২০০ মুক্তিসেনার এক প্রতিরোধ বাহিনীর।

অথচ মুক্তি সংগ্রামে বা ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে শুধু বাঙালিদের অবদান ও সাহসীকতার পরিচয় দেখানো হয়। বাঙালিদের সাথে সাথে অসংখ্য আদিবাসীদের অবদান তেমনভাবে প্রচার করা হয় না। আমাদের দেশের পাঠ্য বইগুলোতে আদিবাসীদের অবদানের কোন কথা নেই বললেই চলে। একটি দেশে স্বাধীন হওয়ার পেছনে ঐ দেশের সকল ধর্মের সকল বর্ণের মানুষের অবদান থেকে। সকলের অবদানেই তো জন্ম নেয় একটি স্বাধীন দেশ।

আদিবাসী, মিত্রবাহিনীসহ অসংখ্য মানুষের অবদানেই জন্ম হয়েছিল আমাদের বাংলাদেশের। কিন্তু দেশ স্বাধীনের ইতিহাসে আদিবাসীরা প্রতিবারই থাকে উপেক্ষিত। প্রচারিত ইতিহাসে হয়তো তাদের নাম নেই, মানুষের মনে হয়তো আদের অবদানের স্থান নেই কিন্তু এই মাটি জানে; এই মাটিকে মুক্ত করতে কতোটা ত্যাগ করেছিল আদিবাসীরা।

লেখক পরিচিতি: খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের একজন নারী নেত্রী ও উন্নয়ন কর্মী।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা রাখতে হলে ভূমিকা নিতে হবে পুলিশকে
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সকল অপরাধের বিচার ত্বরান্বিত করা জরুরি 
তুমি রবে বাঙ্গালীর হৃদয়ে
করোনাকালে সন্তানের সঙ্গে ঘর হয়ে উঠুক আনন্দময়
বাবা দিবসের প্রত্যাশা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেঁচে থাকুন যুগযুগ ধরে, কাজ করুক দেশের কল্যাণে
করোনাকালে আরেক ভাইরাসের নাম ডেঙ্গুরোগ

আরও খবর