ময়মনসিংহ, বুধবার, ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ | ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ () ২১°সে
শিরোনাম :
হালুয়াঘাটে সাংসদ জুয়েল আরেংকে সংবর্ধনা জুয়েল আরেং যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ায় হালুয়াঘাটে আনন্দ মিছিল জুয়েল আরেং যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ায় হালুয়াঘাটে আনন্দ মিছিল হালুয়াঘাটে গড়ে উঠছে অপার সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট হালুয়াঘাটে বহুল প্রতীক্ষিত ভারতীয় কয়লা আমদানি শুরু ময়মনসিংহে চুরি চিনতাই মাদকরোদে বিট পুলিশ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাট সাধারণ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন চুরি চিনতাই ও মাদকরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মহড়া জকিগঞ্জে আল ইসলাহ ও তালামীযের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ময়মনসিংহে জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কমিটি গঠন

নারীশরীরে প্রাণ সৃষ্টির জটিল রহস্য

নারীদের গর্ভধারণের প্রক্রিয়া বেশ জটিল৷ ডিম্বাশয়ের মধ্যে শুক্রাণুর গতিবিধির উপর ভ্রূণ সৃষ্টির সম্ভাবনা নির্ভর করে৷ সেই পরিবেশে শুক্রাণুর পক্ষেও অস্তিত্বের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া কঠিন৷

শুক্রাণুগুলিকে যেন ম্যারাথন দৌড়ে অংশ নিতে হয়৷ এত ভিড় পেছনে ফেলে বেরিয়ে যেতে চায় সেগুলি৷ অবশেষে সেটা সম্ভব হয়৷ শুক্রাণুর জন্য যা ২০ সেন্টিমিটার, মানুষের কাছে তা প্রায় ৫০০ কিলোমিটারের সমান!

সেখানে আসলে কী ঘটে? যোনির মধ্যেই অনেক শুক্রাণুর মৃত্যু ঘটে৷ সেখানকার অম্লভরা পরিবেশ এমনিতেই প্রতিকূল৷ তার উপর নারীর প্রতিরোধী কোষ ব্যাকটিরিয়া ও ছত্রাকের সঙ্গে সঙ্গে সম্ভবত ইচ্ছাকৃতভাবে না হলেও শুক্রাণু মেরে ফেলে৷ তবে সৌভাগ্যবশত তরল হিসেবে বীর্য মজবুত ও আঠালো৷

শুক্রাণু যখন বেঁচে থাকার সংগ্রামে ব্যস্ত থাকে, তখন ফ্যালোপিয়ান টিউবের মধ্যে ধীরে ধীরে ডিম্বাণু এগিয়ে আসে৷ মিলনের চূড়ান্ত মুহূর্তে যোনি, জরায়ু ও গলদেশের মধ্যে এক নির্দিষ্ট ছন্দ সৃষ্টি হয়৷ এভাবে জরায়ু শুক্রাণু শুষে নিতে পারে৷ নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় সেটা ঘটে৷

সৌভাগ্যবশত আউটবোর্ড মোটর কাজ করছে৷ নির্গত পদার্থ আরও পাতলা হয়ে যাবার ফলে শুক্রাণু আরও চটপটে হয়ে ওঠে৷ টার্বো থ্রিডি প্রপেলার ও মাথা নাড়ার বিশেষ কায়দার উপর নির্ভর করা যেতে পারে৷ জরায়ুর প্রাচীরকে ভিত্তি করে শুক্রাণু নিজস্ব গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে৷ যৌথ উদ্যোগে সেই কাজে আরও গতি আসে৷

এবার ডান দিকে না বামে যেতে হবে? সঠিক ফ্যালোপিয়ান টিউব চেনার কৌশল যে কী, তা আজও জানা যায়নি৷ ডানে-বামে-ডানে খোঁজ চালাতে হয়৷ ফ্যালোপিয়ান টিউবের প্রাচীরে সূক্ষ্ম রোম রয়েছে, যা ডিম বহন করে৷ সেটির তরল স্রোত শুক্রাণুর দিকে ধেয়ে যায়৷

গতিপথ সব সময়ে স্রোতের দিকে মুখ করে থাকে৷ অনেক শুক্রাণু ফ্যালোপিয়ান টিউবের খাঁজে হারিয়ে যায়৷ তবে গন্তব্যে পৌঁছানোর ঠিক আগে ডিম দিশা পেতে সাহায্য করে৷ সেটি প্রস্টাগ্ল্যানডিন নিঃসরণ করে৷ শুক্রাণু সেই রাসায়নিক ট্র্যাক বা গতিপথ অনুসরণ করে৷ এবার সেটা দেখা যাচ্ছে৷ তাই এনজাইম প্রস্তুত রাখতে হবে৷

ডিমের খোসার উপর শর্করার অণুর এক স্তর রয়েছে৷ সেখানেই শুক্রাণু সংযুক্ত হয়৷ সেই জাদুময় মুহূর্ত, যখন প্রথম শুক্রাণু প্রবেশ করে, তখন তার লেজ খসে যায়৷ হুবহু সেই মুহূর্তে ডিম্বাণু তার ‘ডকিং’ আবরণ বন্ধ করে দেয়৷ তখন বাকি শুক্রাণু পিছলে বেরিয়ে যায়৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

খাগডহরে যৌতুকবিহীন গণবিবাহ- ২০২০ এর আয়োজনে বিশ যুবক যুবতীর বিয়ে দিলেন ইউএনও
ময়ময়মনসিংহ কোতুয়ালী পুলিশের অভিযানে দুই শিশু চোর আটক
শেরপুরে গর্ভবতী মা ও শিশুদের সুবিধার্থে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন ॥ মেডিকেল অফিসার ডা.অমি

আরও খবর