ময়মনসিংহ, মঙ্গলবার, ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ | ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ () ২৩°সে
শিরোনাম :
হালুয়াঘাটে সাংসদ জুয়েল আরেংকে সংবর্ধনা জুয়েল আরেং যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ায় হালুয়াঘাটে আনন্দ মিছিল জুয়েল আরেং যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ায় হালুয়াঘাটে আনন্দ মিছিল হালুয়াঘাটে গড়ে উঠছে অপার সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট হালুয়াঘাটে বহুল প্রতীক্ষিত ভারতীয় কয়লা আমদানি শুরু ময়মনসিংহে চুরি চিনতাই মাদকরোদে বিট পুলিশ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হালুয়াঘাট সাধারণ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন চুরি চিনতাই ও মাদকরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মহড়া জকিগঞ্জে আল ইসলাহ ও তালামীযের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ময়মনসিংহে জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কমিটি গঠন

বাবা দিবসের প্রত্যাশা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেঁচে থাকুন যুগযুগ ধরে, কাজ করুক দেশের কল্যাণে

আলহাজ্ব মাওলানা হাফেজ রহুল আমীন মাদানী:
বাবা দিবসকে সামনে রেখে অনেকেই সামাজিক গণমাধ্যমে অনেক কমেন্টস লিখেছেন। একটি কমেন্টস দেখে আমি খুব কষ্ট পেলাম। এক ইয়াতিম শিশু লিখেছে, বাবা মানে সব আদরের এক অফুরন্ত ভান্ডার। এখন আর আমার কাছে এ অফুরন্ত ভান্ডার নেই। অনেকেই আমাকে শান্তনা দেন।

কিন্ত তাদের প্রতি আমার প্রশ্ন, আমার এ অফুরন্ত ভান্ডার কি কেউ এনে দিতে পারবেন ? বিষয়িট ভেবে আমারো খুব খারাপ লাগলো। খুঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, ছেলেটির নাম, নাফিউল ইসলাম বাধন। তার বাবার নাম মফিজুর রহমান। তিনি একটি মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। সম্প্রিত তিনি স্ট্রুক করে ইন্তেকাল করেছেন।

ছেলেটির কথা ভাবলাম আর চিন্তা করলাম, এ ছেলেটি তার বাবাকে হারিয়ে যে কষ্ট পেয়েছে। তাহলে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ, জননেত্রী শেখ হাসিনা বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, আদরের ছোটভাইসহ পরিবারের অন্যসদস্যদের হারিয়ে কতবড় ব্যথা পেয়েছেন। আমার কাছে মনে হচ্ছে, ওই ছেলেটি যদি এক বাবাকে হারিয়ে আদরের অফুরন্ত ভান্ডার হারিয়ে থাকে।

তাহলে কতবড় ভান্ডার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হারিয়েছেন ? এটা ভাবতেও শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। পরিবারের সদস্যদেরকে হারিয়ে যে কান্না শুরু হওয়ার কথা, সে কান্না আর থামার কথা নয়। কিন্তু দেশের মানুষের কথা ভেবে, দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে ভূলে থাকেন সব দু:খ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব দু:খ কষ্ট বিসর্জন দিয়ে শোককে শক্তিতে পরিনত করে মানুষের জন্যই কাজ করে যাচ্ছেন।

কারণ প্রধানমন্ত্রীর বাবা আমাদের জাতির পিতা এ দেশকে স্বাধীন করেছেন। এ দেশের জন্য রক্ত দিয়েছেন। বাংলাদেশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর যে দরদ, তা অন্য কারোর হতে পারে না। তাই তিনিও জীবনের ঝুকি নিয়ে দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দেশকে নিয়ে যাচ্ছেন সর্বোচ্চ সিরিতে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশেকে রোলমডেল হিসেবে দাড় করিয়েছেন। শুধু তাই নয় তিনি বাংলাদেশের নেতৃ থেকে হয়েছেন বিশ্বনেত্রী।

বাংলাদেশের মানুষের সুখে দুঃখে পাশে দাড়িয়ে দেশের প্রতিটি মানুষের মনের মনি কোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। বিশ্বমহামারীর সময়েও তিনি নিজের জীবনের প্রতি মায়া না করে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর সময়োচিত সিদ্ধান্তেই দেশে করোনার মধ্যেও অর্থনৈতিক চাকা সচল রয়েছে।

দেশের মানুষও ভয় পাচ্ছেননা, কারণ তারা জানেন তাদের পাশ্বে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো সুযোগ্য নেতৃত্ব। আমরা প্রত্যাশ করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সুস্থ থেকে দেশকে আরো উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। হে সর্বশক্তিমান আল্লাহ আপনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে সুস্থতার সাথে দীর্ঘজীবী করুন, আসমানি জমিনি বালা মসিবত ও হিংসুক নিন্দুকদের চক্রান্ত থেকে তাকে রক্ষা করুন ।

আমিন

লেখক : আলহাজ্ব মাওলানা হােফজ রহুল আমীন মাদানী
ময়মনিসংহ-৭ (ত্রিশাল) এলাকার সংসদ সদস্য ও সভাপতি, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় কমিটি।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা রাখতে হলে ভূমিকা নিতে হবে পুলিশকে
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সকল অপরাধের বিচার ত্বরান্বিত করা জরুরি 
লাল সবুজের পতাকাজুড়ে আছে আদিবাসীদের ভূমিকা
তুমি রবে বাঙ্গালীর হৃদয়ে
করোনাকালে সন্তানের সঙ্গে ঘর হয়ে উঠুক আনন্দময়
করোনাকালে আরেক ভাইরাসের নাম ডেঙ্গুরোগ

আরও খবর